Posts

সুখটান।। আবু আশফাক্ব চৌধুরী।।

ওড়ছে বৃন্দাবনী ধোঁয়া সুখটান - হুঁকো চক্কর কাটছে ভদ্রলোকের মতো ধীর পা কতিপয় আধা বৃদ্ধ  যুদ্ধের গল্পে ব্যস্ত একটু পরপর  চোখ বুঁজা সুখটান... আসলে এখানে সবাই বক্তা কেউ শ্রোত...

ঈশ্বরের শাস্তি হোক

ক্ষমা করো আমি অনির্বাণ এখনও ছাইয়ের পাশে হাত রেখে বেঁচে আছি..... সবচে' অদ্ভুত লাগে যখন অন্ধ আলোকে মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে শ্বাসভ্রম ভিরমিতে অশুদ্ধ শব্দরাশি মেঝেতে গড়ায় কিংবা... "চুপ শুধু চুপ"-এই ভৌতিক আওয়াজ লাল চোখে এসে বিঁধে দুই কানে সতর্ক প্রহরীর জ্বলন্ত চাবুক... বুঝি আমি বন্দি আছি প্রহরা বেষ্টিত দেয়ালের রিক্ত প্রেমে চুমু খেয়ে ভাসি জলে তুলে নেই এই ঠোটে অনিচ্ছ তোমার ভাষা আর তখন-- আমি আর আমার নই সকলই তোমার অসাধ্য অরণ্য প্রেমে ডেরা সাজে স্তব্ধ হয় নীলকণ্ঠ অগাধ বিশ্বাস.... বিশ্বাসের ডানা জুড়ে ব্যপ্ত হয় স্বয়ং ঈশ্বর তারপর -........ ঈশ্বরের শাস্তি হোক    স্বাধ্বীর কৃপায় ....

ঘাতকের পদধ্বনি

Image
রাণুর মা হঠাত এসে ডাক ছাড়লো-‘বাবু ! বাবু ! একটু দরজা খুলুন ।   চাকরির সুবাদে এখানে আসার পর থেকে সবাই আমাকে ‘বাবু’ বলে সম্বোধন করে। রাণূর মা তো প্রায় সময় আপন জনের মতন আসা যাওয়া করে। এক আত্মীয়তার বন্ধন ক্রমে ক্রমে সুদৃঢ হয়ে ওঠেছে সেই আসার পর থেকেই। আমিও অবসর কাটাতে ওদের ঘরে যাই। চা জলযোগ তো নৈমিত্তিক ব্যাপার। মাঝেমাঝে রাণুকে পাঠের দু একটা কঠিন বিষয় সমাধান করতে সাহায্য করি। এতে অন্তরঙ্গতা আরও বেড়ে উঠেছে।আজ হঠাৎ মাসি হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসে ডাক ছাড়ছে কেন ? ভাবলাম হয়তো টাকা পয়সা ধার চাইতে এসেছে। দরজা খুলে দিয়ে বললাম-কী হয়েছে মাসি ? আমাকে কোন উত্তর না দিয়ে বলল- শিগগির চলুন আমাদের বাসায় কাজ আছে । -          কী কাজ ? কারো অসুখ বিসুখ নাকী ? -          না না গেলে দেখবেন । তাড়াতাড়ি চলুন। দরজায় তালা লাগিয়ে অগত্যা তার পেছনে পেছনে চললাম। কোয়ার্টার থেকে ওদের বাসা বেশি দূরে নয় এক ফার্লং হবে । বাসায় পৌছে দেখি একটা যুবতী মেয়ে বারান্দায় বসে আছে । সামনে একটা ভাঙা সুটকেস। ফাঁক দিয়ে কিছু ফাটাটুটা কাপ...

সন্ধ্যার আঁচলে

সব শেষে একটা প্রার্থনা দাঁড়িয়ে থাকে পাখি চলে যাওয়ার পর অবশিষ্ট দানাটির মতো ছায়া ঘেরা সন্ধ্যার আঁচলে অনুভবে ধরা দেয় বিসর্জনের আগে অনিবার্য কাচের জানালা জুড়ে সকালের রো...

মাতালের কণ্ঠস্বর

Image
ঠোঙার শোভাবর্ধনে  আমার কিছু কবিতার কোলাজ মাঝে মাঝে বুকের ব্যথা বাড়িয়ে তুলে নিস্পৃহ স্পন্দনে-- যে চোখের ফোঁটায়  তোমার স্মৃতি ভেসে ওঠে একটি মৃত্যু নাকি অপমৃত্যু কবিতার খণ্ড খণ্ড করে যে আকাশ তা নিরন্তর অদেখার অদৃশ্য ভুবনে এক পরিচিত মাতালের কণ্ঠস্বর। জনমভর সাধনার ক্ষণিকের সৃষ্টি প্রবল খরার পর একটু বৃষ্টির মত তাকে খাঁচায় পুরে সংরক্ষনের  তীব্র প্রয়োজন অনস্বীকার্য কী অভাব- কীসের অভাব তাকে ঠোঙার অঙ্গদর্শনে ঠেলে নিয়ে যায় বাস্তবে কবিতা কখনও অহেতুক নয় পারিনা আমি তাকে তুলে রাখতে  কৌটো ভ্রমরে সোনার অলঙ্কার অতি সযতনে  তাই ওড়ে যায়- ডানাগজা পাখির ছানাটির মত দূরে কোন অজানা দিগন্তে হারিয়ে যায় বারবার আপনার বলয় ভেঙে অনেক অপথ মাড়িয়ে মাঝে মাঝে দেখা হয় বিধ্বস্ত মুড়ি বা  ডালমুটের সুস্বাদু কাগজে...।

কহতব্য

তড়িতের তার শূন্যে ঝুলছে সহস্র তারার আগুন ভেতরে কোন ফুলকি নেই -আলো নেই অথচ হাজার ঘরে চলছে তারের খেলা মাঝে মাঝে বাদুড় বা কাক ঝুলে থাকে বেগতিক স্প্র্শ আগুন চমকায় ঝরে পড়ে সহস্র ভল্টের উত্তাপ আমার বুকের গহীনে এমনি একটা তার ঝুলে থাকে... আঁধার খনি শুধু আমি জানি আর....অকহতব্য। -- আবু আশফাক্ব চৌধুরী।

প্রচ্ছদ

ভেতরের সমস্ত পাতা তোমার ভালবাসা আমি প্রচ্ছদ শোভা বর্ধনেষু... পাঠকরা পড়ে নিক নিবিষ্ট চিত্তে তুমি জিয়ে থাকো আমার দু বাহুর ডোরে...। -- আবু আশফাক্ব চৌধুরী।